ওটাকেই জনসেবা হিসেবে দেখায়

এক রাজনীতিক পোস্টার ছাপিয়ে প্রচার করলেন তিনি তার দলে ছিলেন, ভবিষ্যতেও থাকবেন।

পোস্টারে কিছু পত্রিকার কাটিং জুড়ে দেয়া আছে। তিনি কবে রাজনীতির মাঠে মার খেলেন, তার বিরুদ্ধে কী কী মামলা হয়েছে ইত্যাদি।

জনগণের সেবা করার জন্য এসব ‘গুণাবলি’ অপরিহার্য কী?

দেশ-জনতার কোন কাজে লাগেন না, কিন্তু উপরের গুণাবলিতে ভরপুর আছেন, এমন কর্মী নেহায়েত কম নয়।

বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ে সরকারের চরম ব্যর্থতাই এটি বুঝিয়ে দিয়েছে।

আমরা চাই, দেশপ্রেমিক হিসেবে পরীক্ষীত কর্মীরাই নিজ নিজ রাজনৈতিক দল থেকে ‘নমিনেশন’ জাতীয় ছাড়পত্র গুলো পাবেন।

যে মানুষ দলের প্রতি আনুগত্য দেখায় তার দ্বারা দেশ ও জনতার ক্ষতি হয় যদি তার ভেতর দেশপ্রেম না থাকে।

দস্যু টাইপের কিছু মানুষ আছে যারা দস্যুতার স্বার্থ রক্ষা করতেই রাজনীতি করে। এরা দলের জন্য যে ত্যাগ করে তা স্রেফ ভন্ডামি। সাধারণ মানুষের কথা তারা কখনই ভাবে না। ফলে তারা প্রকারান্তরে গুন্ডা আর অসত্‍ লোকদের সহায়তা করে এবং ওটাকেই জনসেবা হিসেবে দেখায়।

সেনা বাহিনী তে ষড়যন্ত্র, গণতন্ত্র টিকবে তো ?

বাংলাদেশে সেনাবাহিনীর একটি গ্রুপ পথভ্রষ্ট হয়েছে। তারা ক্ষমতা দখলের সপ্ন দেখছে। আমাদের দীর্ঘ দিনের সংগ্রাম, গণ অভ্যুত্থান তাহলে বিফলে যাবে। যতদূর মনে হয়, বাংলাদেশে কোন রাজনৈতিক দলই গণতন্ত্রের বাইরে গিয়ে কিছু ভাবে না।
এ সুযোগ কেউ পেত না। যদি দেশে গণতন্ত্রের আসল চর্চাটি চলত।
সরকারি ও বিরোধী দল এরপরও কি এ অপরাজনীতি চালিয়ে যাবেন?
সরকারের উচিত আরো ভালভাবে দেশ চালানো। আর সাংবাদিকরা যে নিষ্ক্রীয় সাংবাদিকতা করছেন তা মোটেই কাম্য নয়। এ ধরণের সাংবাদিকতার ফলেই সরকার ভুল পথে চলছে।
সবার কাছে মিনতি, বাংলাদেশটা বাঁচান।

ঢাকাইয়া যানজট

যানজটে অতিষ্ঠ আছি। জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় থেকে গুলিস্তান যেতে সময় লাগে ২ ঘন্টা। আতকে উঠার মতই কথা পড়ছেন আরকি।
নয়া বাজার পর্যন্ত যেতে দেড় ঘন্টা।
একদিন গাড়ি থেকে নেমে হেঁটে যাওয়ার চেষ্টা করি। আমি অবশ্য গাড়ির ১০ মিনিট আগে গিয়ে হাজির হয়ে গেছি। দেরি ই বটে। মানুষ ঠেলে ঠেলে যেতে হয়ছে যে!
তবে তখন আমার পায়ের অবস্থা খারাপ। কেটে কুটে গেছে।
কারণ কী বলেন তো? কারণ হল ফুটপাথ জুড়ে টিনের দোকান। টুকরো শিট জুতো ভেদ করতে পারে।
মন্ত্রী মশায় এদিকে নজর দেবেন কি?

কে আছো, এগিয়ে এসো

বাংলাদেশে ব্লগের ধারণা আসার পর জনতা লুফে নিল। ব্লগে লিখে কিংবা পড়ে তৃপ্তি পাই।
অনেক ব্লগের ভীড়ে এই ব্লগটি যেন হারিয়ে না যায়।
ব্লগটি জনতার কণ্ঠস্বর হয়ে উঠুক।

ডে রেড ব্লগে আপনাদের সবাইকে স্বাগতম বার্তা দিচ্ছি।
ডে রেড একটি মহত্‍ উদ্দেশ্য নিয়ে যাত্রা করল। আপনাদের সহযোগিতায় এই ব্লগটি বেঁচে থাকুক আজীবন।
ব্লগটিতে আসুন প্রতিদিন। পড়ুন, মন্তব্য করুন আর লিখুন। বন্ধুকেও বলুন। ছড়িয়ে দিন সত্য আর সুন্দরকে।
ধন্যবাদ।